অর্থবছরের শেষ মাস জুলাইয়ে দেশে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমেছে। সদ্য বিদায়ী এ মাসে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে। এর আগের মাস জুনে এই হার ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত ভোক্তা মূল্য সূচকের (সিপিআই) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ হওয়ার অর্থ হলো, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে যে পণ্য কিনতে ১০০ টাকা খরচ হয়েছিল, একই পণ্য ২০২৬ সালের জুলাইয়ে কিনতে ১০৮ টাকা ৩২ পয়সা খরচ হয়েছে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে একই পণ্যের পেছনে ব্যয় বেড়েছে ৮ টাকা ৩২ পয়সা।
সাধারণ মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি জুলাইয়ে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত—দুই ধরনের মূল্যস্ফীতিই কমেছে। এ মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশে। জুনে এ হার ছিল ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ।
অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতিও কিছুটা কমেছে। জুলাইয়ে এ হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ২৮ শতাংশে, যা জুনে ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।
শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে এখনো মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা বেশি। জুলাইয়ে গ্রামাঞ্চলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। শহরাঞ্চলে এ হার ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ।
বিবিএসের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে গ্রামাঞ্চলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশে। জুনে এ হার ছিল ৮ দশমিক ৫২ শতাংশ। একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা জুনে ছিল ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
শহরাঞ্চলেও খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমেছে। জুলাইয়ে এ হার দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২১ শতাংশে, যেখানে জুনে ছিল ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতিও কমে জুলাইয়ে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে নেমেছে। জুনে এ হার ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতি কমার পাশাপাশি জুলাইয়ে মজুরি বৃদ্ধির হারও সামান্য বেড়েছে। এ মাসে মজুরি বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২২ শতাংশে, যা জুনে ছিল ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ।
বিষয় : মূল্যস্ফীতি

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
