এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট

চালু হচ্ছে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ পাটকল, সৃষ্টি হবে ১১ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান

ডেক্স রিপোর্ট
ডেক্স রিপোর্ট
প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬
চালু হচ্ছে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ পাটকল, সৃষ্টি হবে ১১ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও হ্যামকো গ্রুপের সঙ্গে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) দীর্ঘমেয়াদি লিজ চুক্তি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বিজেএমসি ও দুই শিল্পগোষ্ঠীর মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলস লিমিটেড এবং খুলনার স্টার জুট মিলস লিমিটেড লিজ নিয়েছে। অন্যদিকে খুলনার প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস লিমিটেড লিজ নিয়েছে হ্যামকো গ্রুপ।

চুক্তিতে বিজেএমসির পক্ষে চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার স্বাক্ষর করেন। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পক্ষে কোম্পানি সচিব আমিনুর রহমান এবং হ্যামকো গ্রুপের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম মোস্তফা চুক্তিতে সই করেন।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর পর তিনটি পাটকলে প্রায় ৬১৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। এসব মিলে কমপক্ষে ১১ হাজার ৬২৯ জনের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিন প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য বার্ষিক টার্নওভার ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা

জাতীয় জুট মিলস, সিরাজগঞ্জ:
মিলটিতে প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এটি চালু হলে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান এবং প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভার হতে পারে।

স্টার জুট মিলস, খুলনা:
এখানে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। মিলটি চালু হলে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান এবং প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস, খুলনা:
এই মিলে প্রায় ২১২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। চালু হলে অন্তত ১ হাজার ১৫৩ জনের কর্মসংস্থান এবং প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভার হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিজেএমসির উৎপাদন বন্ধ থাকা ২৫টি মিলের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ২০টি মিল ইজারার মাধ্যমে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৪টি মিলের লিজ প্রক্রিয়া শেষ করে লিজগ্রহীতাদের কাছে দখল হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি মিলে উৎপাদনও শুরু হয়েছে।

সরকারের এ উদ্যোগের ফলে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা পাটকলগুলো পুনরায় উৎপাদনে ফেরার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের পাটশিল্পে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


চালু হচ্ছে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ পাটকল, সৃষ্টি হবে ১১ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও হ্যামকো গ্রুপের সঙ্গে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) দীর্ঘমেয়াদি লিজ চুক্তি হয়েছে।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বিজেএমসি ও দুই শিল্পগোষ্ঠীর মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।চুক্তি অনুযায়ী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলস লিমিটেড এবং খুলনার স্টার জুট মিলস লিমিটেড লিজ নিয়েছে। অন্যদিকে খুলনার প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস লিমিটেড লিজ নিয়েছে হ্যামকো গ্রুপ।চুক্তিতে বিজেএমসির পক্ষে চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার স্বাক্ষর করেন। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পক্ষে কোম্পানি সচিব আমিনুর রহমান এবং হ্যামকো গ্রুপের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম মোস্তফা চুক্তিতে সই করেন।বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর পর তিনটি পাটকলে প্রায় ৬১৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। এসব মিলে কমপক্ষে ১১ হাজার ৬২৯ জনের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিন প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য বার্ষিক টার্নওভার ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা।জাতীয় জুট মিলস, সিরাজগঞ্জ: মিলটিতে প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এটি চালু হলে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান এবং প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভার হতে পারে।স্টার জুট মিলস, খুলনা: এখানে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। মিলটি চালু হলে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান এবং প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস, খুলনা: এই মিলে প্রায় ২১২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। চালু হলে অন্তত ১ হাজার ১৫৩ জনের কর্মসংস্থান এবং প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভার হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিজেএমসির উৎপাদন বন্ধ থাকা ২৫টি মিলের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ২০টি মিল ইজারার মাধ্যমে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৪টি মিলের লিজ প্রক্রিয়া শেষ করে লিজগ্রহীতাদের কাছে দখল হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি মিলে উৎপাদনও শুরু হয়েছে। সরকারের এ উদ্যোগের ফলে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা পাটকলগুলো পুনরায় উৎপাদনে ফেরার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের পাটশিল্পে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক: জাকির হোসেন শাহেদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট
চালু হচ্ছে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ পাটকল, সৃষ্টি হবে ১১ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান
0:00 0:00
1.0x