এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট

খেলাপি ঋণ আদায়ে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

ডেক্স রিপোর্ট
ডেক্স রিপোর্ট
প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৬
খেলাপি ঋণ আদায়ে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ছবি: সংগৃহীত

খেলাপি ঋণ আদায় কার্যক্রম জোরদার এবং আর্থিক খাতের আদালতে বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা ‘অলটারনেটিভ ডিসপিউট রেজ্যুলেশন’ (এডিআর) ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য এডিআর কার্যক্রম পরিচালনায় আগ্রহী মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্ত করার নতুন নীতিমালা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে। এতে ‘বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) জন্য মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তিকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, খেলাপি ঋণসংক্রান্ত বিরোধ ও আদালতে বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে এডিআর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নতুন নীতিমালায় যোগ্যতা, সক্ষমতা ও উপযুক্ততা যাচাই করে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তির কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে।

যেসব যোগ্যতা থাকতে হবে

এডিআর প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে হলে আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধিত হতে হবে। থাকতে হবে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স ও টিআইএন নম্বর। প্রতিষ্ঠানের কোনো পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খেলাপি ঋণগ্রহীতা হতে পারবেন না।

প্রতারণা, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, মানি লন্ডারিং বা অন্য কোনো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিও প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। আবেদন করার আগে প্রতিষ্ঠানটির অন্তত তিন বছরের ব্যবসায়িক বা পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামোও থাকতে হবে। পরিচালনা পর্ষদ বা সমমানের প্রশাসনিক পর্ষদের অন্তত ৫০ শতাংশ সদস্যকে মধ্যস্থতাকারী হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে। পাশাপাশি আলাদা প্রশাসনিক ইউনিট বা সেল এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা কাঠামো থাকতে হবে।

আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের আবেদনের আগের তিন বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী থাকতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের এক বা একাধিক মধ্যস্থতাকারী প্যানেল থাকতে হবে। প্রতিটি প্যানেলে অন্তত পাঁচজন মধ্যস্থতাকারী রাখতে হবে। এর মধ্যে অন্তত একজন হিসাববিদ ও একজন আইন বিশেষজ্ঞ থাকতে হবে।

মধ্যস্থতাকারীদের জন্যও নির্দিষ্ট শর্ত

মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হলে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আইন পেশা, হিসাবরক্ষণ, নিরীক্ষা বা বিচারিক কাজে অন্তত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বিরোধের কোনো পক্ষের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ স্বার্থের সংঘাত থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন না। কোনো ফৌজদারি আদালতে দণ্ডিত, নিয়ন্ত্রক সংস্থার শাস্তিপ্রাপ্ত কিংবা অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি, জালিয়াতি বা অনৈতিকতার কারণে চাকরি বা পেশা থেকে বরখাস্ত ব্যক্তিও এই দায়িত্বে থাকতে পারবেন না।

এ ছাড়া কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি কিংবা আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত ব্যক্তিকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।

অনলাইন ব্যবস্থাও থাকতে হবে

এডিআর প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব ওয়েবসাইট ও ই-মেইল ঠিকানা রাখতে হবে। অনলাইন বা ভার্চুয়াল মধ্যস্থতা ও শুনানি পরিচালনার জন্য ইন্টারনেট এবং অডিও-ভিডিও কনফারেন্সিং সুবিধাও থাকতে হবে।

মামলা গ্রহণ, নথি ব্যবস্থাপনা, কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, সময়সূচি নির্ধারণ এবং প্রতিবেদন তৈরির জন্য ডিজিটাল ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম রাখতে হবে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও মামলাসংক্রান্ত তথ্যের নিরাপত্তায় সাইবার নিরাপত্তা ও ডাটা রিকভারি ব্যবস্থা থাকতে হবে।

স্বার্থের সংঘাত হলে দায়িত্ব ছাড়তে হবে

এডিআর প্রতিষ্ঠানের জন্য কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট বা স্বার্থের সংঘাতসংক্রান্ত নীতিমালা থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো সম্ভাব্য বা প্রকৃত স্বার্থের সংঘাত দেখা দিলে তা দ্রুত লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ও প্রতিষ্ঠানকে জানাতে হবে।

স্বার্থের সংঘাত থাকলে সংশ্লিষ্ট মধ্যস্থতাকারীকে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। প্রয়োজনে তাঁর পরিবর্তে নতুন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।

মধ্যস্থতা শেষ বা ব্যর্থ হওয়ার পরও ওই কার্যক্রমের সময় পাওয়া তথ্য, নথি, যোগাযোগ ও কার্যবিবরণী গোপন রাখতে হবে। আইন, আদালতের আদেশ বা বৈধ কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়া এসব তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে প্রকাশ করা যাবে না।

৭০ নম্বর পেলেই তালিকাভুক্তির যোগ্য

এডিআর প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ১০০ নম্বরের মূল্যায়ন ব্যবস্থা করেছে। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানকে কমপক্ষে ৭০ নম্বর পেতে হবে। এর কম হলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত হবে।

আবেদন, নথি যাচাই ও পরিদর্শনের ফলাফলে সন্তুষ্ট হলে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো প্রতিষ্ঠানকে এডিআর প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে পারবে। তালিকাভুক্তির মেয়াদ হবে তিন বছর। প্রয়োজনে তালিকাভুক্তির সময় বিভিন্ন শর্তও আরোপ করতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে খেলাপি ঋণসংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি আর্থিক খাতের আদালতে দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন মামলার চাপ কমানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬


খেলাপি ঋণ আদায়ে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image
খেলাপি ঋণ আদায় কার্যক্রম জোরদার এবং আর্থিক খাতের আদালতে বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা ‘অলটারনেটিভ ডিসপিউট রেজ্যুলেশন’ (এডিআর) ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য এডিআর কার্যক্রম পরিচালনায় আগ্রহী মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্ত করার নতুন নীতিমালা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে। এতে ‘বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) জন্য মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তিকরণ সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, খেলাপি ঋণসংক্রান্ত বিরোধ ও আদালতে বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে এডিআর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নতুন নীতিমালায় যোগ্যতা, সক্ষমতা ও উপযুক্ততা যাচাই করে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তির কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে।যেসব যোগ্যতা থাকতে হবেএডিআর প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে হলে আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধিত হতে হবে। থাকতে হবে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স ও টিআইএন নম্বর। প্রতিষ্ঠানের কোনো পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খেলাপি ঋণগ্রহীতা হতে পারবেন না।প্রতারণা, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, মানি লন্ডারিং বা অন্য কোনো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিও প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। আবেদন করার আগে প্রতিষ্ঠানটির অন্তত তিন বছরের ব্যবসায়িক বা পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামোও থাকতে হবে। পরিচালনা পর্ষদ বা সমমানের প্রশাসনিক পর্ষদের অন্তত ৫০ শতাংশ সদস্যকে মধ্যস্থতাকারী হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে। পাশাপাশি আলাদা প্রশাসনিক ইউনিট বা সেল এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা কাঠামো থাকতে হবে।আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের আবেদনের আগের তিন বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী থাকতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের এক বা একাধিক মধ্যস্থতাকারী প্যানেল থাকতে হবে। প্রতিটি প্যানেলে অন্তত পাঁচজন মধ্যস্থতাকারী রাখতে হবে। এর মধ্যে অন্তত একজন হিসাববিদ ও একজন আইন বিশেষজ্ঞ থাকতে হবে।মধ্যস্থতাকারীদের জন্যও নির্দিষ্ট শর্তমধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হলে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আইন পেশা, হিসাবরক্ষণ, নিরীক্ষা বা বিচারিক কাজে অন্তত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।বিরোধের কোনো পক্ষের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ স্বার্থের সংঘাত থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন না। কোনো ফৌজদারি আদালতে দণ্ডিত, নিয়ন্ত্রক সংস্থার শাস্তিপ্রাপ্ত কিংবা অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি, জালিয়াতি বা অনৈতিকতার কারণে চাকরি বা পেশা থেকে বরখাস্ত ব্যক্তিও এই দায়িত্বে থাকতে পারবেন না।এ ছাড়া কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি কিংবা আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত ব্যক্তিকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।অনলাইন ব্যবস্থাও থাকতে হবেএডিআর প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব ওয়েবসাইট ও ই-মেইল ঠিকানা রাখতে হবে। অনলাইন বা ভার্চুয়াল মধ্যস্থতা ও শুনানি পরিচালনার জন্য ইন্টারনেট এবং অডিও-ভিডিও কনফারেন্সিং সুবিধাও থাকতে হবে।মামলা গ্রহণ, নথি ব্যবস্থাপনা, কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, সময়সূচি নির্ধারণ এবং প্রতিবেদন তৈরির জন্য ডিজিটাল ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম রাখতে হবে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও মামলাসংক্রান্ত তথ্যের নিরাপত্তায় সাইবার নিরাপত্তা ও ডাটা রিকভারি ব্যবস্থা থাকতে হবে।স্বার্থের সংঘাত হলে দায়িত্ব ছাড়তে হবেএডিআর প্রতিষ্ঠানের জন্য কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট বা স্বার্থের সংঘাতসংক্রান্ত নীতিমালা থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো সম্ভাব্য বা প্রকৃত স্বার্থের সংঘাত দেখা দিলে তা দ্রুত লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ও প্রতিষ্ঠানকে জানাতে হবে।স্বার্থের সংঘাত থাকলে সংশ্লিষ্ট মধ্যস্থতাকারীকে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। প্রয়োজনে তাঁর পরিবর্তে নতুন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতা শেষ বা ব্যর্থ হওয়ার পরও ওই কার্যক্রমের সময় পাওয়া তথ্য, নথি, যোগাযোগ ও কার্যবিবরণী গোপন রাখতে হবে। আইন, আদালতের আদেশ বা বৈধ কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়া এসব তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে প্রকাশ করা যাবে না।৭০ নম্বর পেলেই তালিকাভুক্তির যোগ্যএডিআর প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ১০০ নম্বরের মূল্যায়ন ব্যবস্থা করেছে। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানকে কমপক্ষে ৭০ নম্বর পেতে হবে। এর কম হলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত হবে।আবেদন, নথি যাচাই ও পরিদর্শনের ফলাফলে সন্তুষ্ট হলে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো প্রতিষ্ঠানকে এডিআর প্রতিষ্ঠান হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে পারবে। তালিকাভুক্তির মেয়াদ হবে তিন বছর। প্রয়োজনে তালিকাভুক্তির সময় বিভিন্ন শর্তও আরোপ করতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে খেলাপি ঋণসংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির পাশাপাশি আর্থিক খাতের আদালতে দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন মামলার চাপ কমানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক: জাকির হোসেন শাহেদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট
খেলাপি ঋণ আদায়ে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করবে বাংলাদেশ ব্যাংক
0:00 0:00
1.0x