এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট
অর্থনীতি

অর্থনীতি

ডিমের ডজনে কমলো ১০ টাকা, চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ ও মাংস

ডেক্স রিপোর্ট
ডেক্স রিপোর্ট
প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
ডিমের ডজনে কমলো ১০ টাকা, চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ ও মাংস
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যে এখনো বড় কোনো স্বস্তি মেলেনি। মাছ ও মাংসের দাম প্রায় আগের চড়া অবস্থাতেই রয়েছে। তবে কিছুটা স্বস্তি এসেছে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির বাজারে। ডজনপ্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা এবং কেজিপ্রতি ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে প্রায় ১০ টাকা।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। গত সপ্তাহের শুক্রবার এর দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। একইভাবে গত সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগির দাম কমে এখন ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে কোনো পরিবর্তন নেই। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে, প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে ওঠানামা

মাছের বাজারে স্থিতিশীলতা নেই বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তাঁদের ভাষ্য, পাইকারি বাজারের সরবরাহের ওপর নির্ভর করে একদিনের ব্যবধানে কিংবা সকাল-বিকেলে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম ওঠানামা করছে।

নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসার পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন তুলনামূলক চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। চাষের পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি এক হাজার টাকারও বেশি গুনতে হচ্ছে।

ক্রেতাদের ক্ষোভ

রফিকুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘আগে পাঙাশ ১৮০ টাকা কেজিতে পাওয়া যেত। এখন ২০০ টাকার নিচে নেই। তেলাপিয়ার দামও কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রায় ৬০ টাকা বেড়েছে। এখন ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।’

মুরগি ব্যবসায়ী আনিস আহমেদ বলেন, ‘গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কম ছিল। তারপরও ব্রয়লার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। গত সপ্তাহে দাম ছিল ২০০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই আছে।’

মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, মাছের দাম মোটামুটি আগের মতোই রয়েছে। পাইকারি বাজারের সরবরাহের ওপর নির্ভর করে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম ওঠানামা করে। সকালে এক দাম থাকলেও বিকেলে আবার দাম পরিবর্তন হতে পারে।

সব মিলিয়ে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দামে কিছুটা কমতি এলেও মাছ ও মাংসের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবারের বাজারে চাপ রয়েই গেছে।

এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬


ডিমের ডজনে কমলো ১০ টাকা, চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ ও মাংস

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যে এখনো বড় কোনো স্বস্তি মেলেনি। মাছ ও মাংসের দাম প্রায় আগের চড়া অবস্থাতেই রয়েছে। তবে কিছুটা স্বস্তি এসেছে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির বাজারে। ডজনপ্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা এবং কেজিপ্রতি ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে প্রায় ১০ টাকা।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। গত সপ্তাহের শুক্রবার এর দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। একইভাবে গত সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগির দাম কমে এখন ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে কোনো পরিবর্তন নেই। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে, প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।মাছের বাজারে ওঠানামামাছের বাজারে স্থিতিশীলতা নেই বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তাঁদের ভাষ্য, পাইকারি বাজারের সরবরাহের ওপর নির্ভর করে একদিনের ব্যবধানে কিংবা সকাল-বিকেলে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম ওঠানামা করছে।নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ভরসার পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন তুলনামূলক চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। চাষের পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।এ ছাড়া মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি এক হাজার টাকারও বেশি গুনতে হচ্ছে।ক্রেতাদের ক্ষোভরফিকুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘আগে পাঙাশ ১৮০ টাকা কেজিতে পাওয়া যেত। এখন ২০০ টাকার নিচে নেই। তেলাপিয়ার দামও কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রায় ৬০ টাকা বেড়েছে। এখন ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।’মুরগি ব্যবসায়ী আনিস আহমেদ বলেন, ‘গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কম ছিল। তারপরও ব্রয়লার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। গত সপ্তাহে দাম ছিল ২০০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই আছে।’মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, মাছের দাম মোটামুটি আগের মতোই রয়েছে। পাইকারি বাজারের সরবরাহের ওপর নির্ভর করে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম ওঠানামা করে। সকালে এক দাম থাকলেও বিকেলে আবার দাম পরিবর্তন হতে পারে।সব মিলিয়ে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দামে কিছুটা কমতি এলেও মাছ ও মাংসের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবারের বাজারে চাপ রয়েই গেছে।

এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক: জাকির হোসেন শাহেদ
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত এক্সপোর্ট–ইমপোর্ট
ডিমের ডজনে কমলো ১০ টাকা, চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ ও মাংস
0:00 0:00
1.0x